লব-কুশের বংশধর – কী বলছে রামায়ণ ও লোকবিশ্বাস?
🔱 লব-কুশের বংশধর – কী বলছে রামায়ণ ও লোকবিশ্বাস? রামায়ণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র শ্রীরামচন্দ্র এবং তাঁর স্ত্রী মা সীতা । তাঁদের পুত্রদ্বয় লব ও কুশ —শুধু পৌরাণিক নায়কই নন, তাঁরা ভারতের নানা অঞ্চলে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গর্বের প্রতীক হয়ে আছেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—তাঁদের বংশধর কি ছিল? থাকলে তারা কোথায়? কী বলছে ইতিহাস ও লোককথা? 📜 রামায়ণ কী বলে? বাল্মীকি রচিত মূল রামায়ণের উত্তরকাণ্ডে আমরা দেখি— সীতা বনবাসে থাকাকালীন কুশল নামক ঋষির আশ্রমে অবস্থান করছিলেন। সেখানেই তাঁর গর্ভে জন্ম নেয় লব ও কুশ । তারা বড় হয়ে পিতার পরিচয় না জেনেই বাল্মীকি আশ্রমে শিক্ষালাভ করে এবং পরে অশ্বমেধ যজ্ঞ উপলক্ষে রামের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতে অংশ নেয়। পরে তাঁদের পরিচয় প্রকাশ পায় এবং শ্রীরাম তাঁদের উত্তরাধিকার হিসেবে মেনে নেন। 🌿 লোকবিশ্বাসে কী প্রচলিত? লোককথায় বলা হয়— লব উত্তর ভারতে লাভপুর (Lahore) অঞ্চলে একটি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে লাহোর নামেই পরিচিত হয়। অপরদিকে, কুশ দক্ষিণ কুশল রাজ্য (বর্তমানের কুশীনগর) শাসন করেন বলে ধারনা। এই বিশ্বাস অনুযায়ী দুজনেই রাজবংশ গঠন করেছিলেন এবং...