Posts

Showing posts with the label স্বাস্থ্য_সচেতনতা

শ্বেতি রোগের লক্ষণ ও মুক্তির করণীয়

Image
  শ্বেতি রোগের লক্ষণ ও মুক্তির করণীয় | নিতাই বাবু শ্বেতি রোগ (Vitiligo): লক্ষণ ও মুক্তির করণীয় লেখা: নিতাই বাবু • বিষয়: স্বাস্থ্য শ্বেতি রোগ বা Vitiligo হলো ত্বকের রঙ দানকারী পিগমেন্ট মেলানিন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে ত্বকে সাদা দাগগুলো তৈরি হওয়া একটি অবস্থা। এটি সংক্রামক নয়, কিন্তু মানসিক ও সামাজিকভাবে অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। 🌿 শ্বেতি রোগের লক্ষণ (Symptoms) ত্বকে সাদা দাগ: মুখ, হাত, পা, আঙুল, কনুই, হাঁটু, ঠোঁটের চারপাশ ইত্যাদিতে এক বা একাধিক সাদা দাগ দেখা যায়। চুল বা ভ্রু সাদা হাওয়া: আক্রান্ত স্থানের চুল বা ভ্রু আগে থেকে সাদাটে হয়ে যেতে পারে। তাৎপর্যপূর্ণ ছোঁয়ার পর রঙ কমে যাওয়া: কোনও আঘাত বা জ্বালো স্থানে পরবর্তীতে সাদা দাগ নড়চড়ে শুরু হতে পারে (Koebner phenomenon)। রোদে বেশি সংবেদনশীলতা: অভিযুক্ত অংশ সূর্যের আলোতে সহজেই লালচে বা পোঁড়া লাগতে পারে। 💡 শ্বেতি রোগের সম্ভাব্য কারণ (Causes) ইমিউন-সিস্টেমের ত্রুটি (Autoimmune): শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা নিজের ত্বকের মেলানোসাইট (p...

পাগলের চিকিৎসা ও করণীয়: মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নে সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি

Image
  মানসিক অসুস্থতার করণীয় ও চিকিৎসা—সহজ ভাষায় পূর্ণাঙ্গ গাইড “পাগলের চিকিৎসা” নয়—মানসিক অসুস্থতার সঠিক করণীয় ও চিকিৎসা “পাগল” বৈজ্ঞানিক শব্দ নয়। মানসিক অসুস্থতা (Mental Illness) সম্পর্কে সহজ ভাষায় পূর্ণাঙ্গ সহায়িকা—লক্ষণ, ঝুঁকি, তাত্ক্ষণিক করণীয়, চিকিৎসা ও পরিবারের ভূমিকা। কেন “পাগল” শব্দটি এড়িয়ে চলা উচিত এই শব্দটি কলঙ্ক ছড়ায় এবং সঠিক চিকিৎসা নেওয়ার পথে বাধা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে আমরা বলি: ডিপ্রেশন এংজাইটি বাইপোলার ডিসঅর্ডার সিজোফ্রেনিয়া সাবস্ট্যান্স ইউজ ইত্যাদি—যার প্রতিটির চিকিৎসা পদ্ধতি আলাদা। সুবার্তা: মানসিক অসুস্থতা চিকিৎসাযোগ্য। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে অধিকাংশ মানুষ ভালো থাকেন, পড়াশোনা/চাকরি/পরিবার—সবই চালিয়ে যেতে পারেন। জরুরি বিপদসংকেত—তাৎক্ষণিক করণীয় আত্মহত্যার চিন্তা/চেষ্টা, বিদায় বার্তা, বিপজ্জনক জিনিস সংগ্রহ ভয়ংকর আক্রমণাত্মক আচরণ, জিনিসপত্র নষ্ট, নিজে/অন্যকে ক্ষতির হুমকি বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতা (শ্রবণ/দর্শন বিভ্রম),...

পেট খারাপ বা পেটের পীড়া: কারণ ও প্রতিকার

Image
  পেট খারাপ বা পেটের পীড়া হলে করণীয় পেটের সমস্যা (ডায়রিয়া, অজির্ণতা বা গ্যাসজনিত সমস্যা) হলে ঘরে বসে সহজ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। নিচে ধাপে ধাপে করণীয় বর্ণনা করা হলো: ১. পানি ও হাইড্রেশন বজায় রাখা প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। হারানো ইলেক্ট্রোলাইট পূরণের জন্য ORS (Oral Rehydration Solution) ব্যবহার করুন। নারকেল জল বা লেবুর পানি (চিনি বা নুন সামান্য মিশিয়ে) খেতে পারেন। ২. হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ ভাত, খিচুড়ি, সেদ্ধ আলু, ওটমিল ইত্যাদি হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খান। তেল, মশলা ও ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন। দই খেতে পারেন (যদি খাওয়ার পর সমস্যা না হয়)। ৩. পেটের ব্যথা ও গ্যাসের জন্য পেটকে হালকা উষ্ণ রাখুন (গরম জলপাত্র বা হিটিং প্যাড ব্যবহার করতে পারেন)। জিরা, ধনিয়া বা আদা চা পান করে গ্যাস ও ব্যথা কমাতে পারেন। ৪. চিকিৎসা ও ওষুধ ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে ছোট পরিমাণে লোপারামাইড (Loperamide) ব্যবহার করা যেতে পারে। অত্যধিক ব্যথা, জ্বর বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা হলে ডাক্তার দেখানো জরুরি। ৫. বিশ্রাম ও জীবনধারা পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। চাপ ও মানসিক চাপ কমিয়ে রাখুন। ...