Posts

Showing posts with the label স্বাস্থ্য

শ্বেতি রোগের লক্ষণ ও মুক্তির করণীয়

Image
  শ্বেতি রোগের লক্ষণ ও মুক্তির করণীয় | নিতাই বাবু শ্বেতি রোগ (Vitiligo): লক্ষণ ও মুক্তির করণীয় লেখা: নিতাই বাবু • বিষয়: স্বাস্থ্য শ্বেতি রোগ বা Vitiligo হলো ত্বকের রঙ দানকারী পিগমেন্ট মেলানিন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে ত্বকে সাদা দাগগুলো তৈরি হওয়া একটি অবস্থা। এটি সংক্রামক নয়, কিন্তু মানসিক ও সামাজিকভাবে অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। 🌿 শ্বেতি রোগের লক্ষণ (Symptoms) ত্বকে সাদা দাগ: মুখ, হাত, পা, আঙুল, কনুই, হাঁটু, ঠোঁটের চারপাশ ইত্যাদিতে এক বা একাধিক সাদা দাগ দেখা যায়। চুল বা ভ্রু সাদা হাওয়া: আক্রান্ত স্থানের চুল বা ভ্রু আগে থেকে সাদাটে হয়ে যেতে পারে। তাৎপর্যপূর্ণ ছোঁয়ার পর রঙ কমে যাওয়া: কোনও আঘাত বা জ্বালো স্থানে পরবর্তীতে সাদা দাগ নড়চড়ে শুরু হতে পারে (Koebner phenomenon)। রোদে বেশি সংবেদনশীলতা: অভিযুক্ত অংশ সূর্যের আলোতে সহজেই লালচে বা পোঁড়া লাগতে পারে। 💡 শ্বেতি রোগের সম্ভাব্য কারণ (Causes) ইমিউন-সিস্টেমের ত্রুটি (Autoimmune): শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা নিজের ত্বকের মেলানোসাইট (p...

হাঁপানি রোগের লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধ করণীয়

Image
  🫁 হাঁপানি রোগ: লক্ষণ, প্রতিরোধ ও করণীয় হাঁপানি (Asthma) হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের রোগ, যেখানে শ্বাসনালীগুলো প্রদাহ ও সঙ্কুচিত হয়ে যায়। এর ফলে রোগীর শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বুকে চাপ অনুভূত হয়। সঠিক পরিচর্যা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে হাঁপানিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। 🩺 হাঁপানির প্রধান লক্ষণ বারবার শ্বাসকষ্ট, বিশেষত রাতে বা ভোরে শ্বাস নেওয়ার সময় শোঁ শোঁ শব্দ (Wheezing) রাতের বেলা বা ঠান্ডায় বারবার কাশি বুকে চাপ বা ব্যথা সাধারণ কাজে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া ⚠️ হাঁপানির ট্রিগার (কারণ/উদ্দীপক) ধুলা, ধোঁয়া, ঠান্ডা বাতাস, সংক্রমণ, ফুলের পরাগ, পশুপাখির লোম, মানসিক চাপ, অতিরিক্ত শরীরচর্চা ও কিছু খাবার/ওষুধ হাঁপানির আক্রমণ ঘটাতে পারে। 🛡️ প্রতিরোধের উপায় ধুলো, ধোঁয়া ও অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী জিনিস এড়িয়ে চলুন ঘর পরিষ্কার ও পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখুন বিছানার চাদর, বালিশের কভার নিয়মিত ধুয়ে ফেলুন নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ক...

চিকুনগুনিয়া: লক্ষণ, প্রতিরোধ ও করণীয়

Image
  🦟 চিকুনগুনিয়া: লক্ষণ, প্রতিরোধ ও করণীয় চিকুনগুনিয়া একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা Aedes মশার কামড়ে ছড়ায়। হঠাৎ জ্বর ও জয়েন্টে তীব্র ব্যথা এ রোগের প্রধান বৈশিষ্ট্য। 🔎 মূল লক্ষণ হঠাৎ উচ্চ জ্বর (১০২–১০৪°F) হাত-পায়ে তীব্র জয়েন্ট ব্যথা মাথাব্যথা ও চোখে ব্যথা শরীরে র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি অতিরিক্ত দুর্বলতা ও অবসাদ ⚠️ জটিলতা শিশু, বৃদ্ধ ও ডায়াবেটিস/হৃদরোগীর জন্য ঝুঁকি বেশি। পানিশূন্যতা ও দীর্ঘস্থায়ী জয়েন্ট ব্যথা হতে পারে। উপসর্গ বেড়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 🛡️ প্রতিরোধ বাড়ির আশেপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করুন। টব, টায়ার, ড্রাম, ফুলদানি সাপ্তাহিক ফাঁকা করুন। দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করুন। লম্বা হাতা জামা পরুন, মশা তাড়ানোর লোশন ব্যবহার করুন। ড্রেন ও নালা নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। 🩺 করণীয় বিশ্রাম: পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন। পানি: ওরস্যালাইন, স্যুপ, ফলের রসসহ প্রচুর তরল খাবার নিন। ওষুধ: প্যারাসিটামল খেতে পারেন (অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেন নয়)। উপসর্গ বেড়ে গেলে দ...

স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়: জীবনধারা ও সচেতনতা দিয়ে মস্তিষ্ক রক্ষা করুন

Image
  স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়: সহজ, কার্যকর এবং জীবনধারণভিত্তিক নির্দেশনা স্ট্রোক অনেকাংশে প্রতিরোধযোগ্য — সঠিক জীবনধারা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসার মাধ্যমে ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যায়। নিচে প্রধান উদ্যোগগুলো ব্যাখ্যামূলকভাবে দেওয়া হলো। (সূত্র: AHA/ASA, CDC, Stroke.org ইত্যাদি নির্দেশিকা দ্বারা অনুধাবিত) 0 ১. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ — প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) স্ট্রোকের সবচেয়ে বড় একক ঝুঁকি। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নিয়মিত ঘরে বা ক্লিনিকে রেকর্ড করা, ডাক্তারের পরামর্শমতো ওষুধ গ্রহণ এবং লবণ-পরিমিত খাবার খাওয়া জরুরি। 1 ২. ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ রক্তের শর্করা ও অনুত্তরণীয় কোলেস্টেরল ধমনিতে জমাট সৃষ্টি করে; ফলে মস্তিষ্কে রক্তবাহিত বাধা পড়তে পারে। ডায়াবেটিস হলে নিয়মিত ব্লাড সুগার মনিটরিং, ওষুধ এবং খাদ্য-ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। 2 ৩. স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও ওজন নিয়ন্ত্রণ → লবণ কমান (দৈনিক লক্ষ্য 2,300 mg বা তারও কম; কিছু ক্ষেত্রে 1,500 mg উপযোগী)। → ফ্রেশ ফল, সবজি, ফুলে ম...

উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপ হলে করণীয় — পূর্ণাঙ্গ তথ্য

Image
  উচ্চ/নিম্ন রক্তচাপ হলে করণীয় — বিস্তারিত গাইড 🫀 উচ্চ/নিম্ন রক্তচাপ হলে করণীয় — বিস্তারিত গাইড সিম্পটম চিনে রাখা, ঘরোয়া পদক্ষেপ, মাপার নিয়ম, কবে জরুরি চিকিৎসা লাগবে — সব একসাথে। হাই ব্লাড প্রেসার লো ব্লাড প্রেসার হোম মনিটরিং লাইফস্টাইল 🔺 উচ্চ রক্তচাপ (High BP) হলে সাধারণ লক্ষণ মাথা ব্যথা/ঝিমঝিম, চোখে ঝাপসা বা ঝিকিমিকি বুকে চাপ/ধড়ফড়, মাথা ঘোরা নাকে রক্ত পড়া (কখনো-কখনো) তাৎক্ষণিক করণীয় শান্ত হয়ে বসুন; গভীর, ধীর শ্বাস নিন (৪–৬ বার)। লবণাক্ত, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার তাৎক্ষণিক এড়িয়ে চলুন। পানি পান করুন; ডাক্তারের ওষুধ সময়মতো নিন—নিজে থেকে বন্ধ/বদলাবেন না। ১০–15 মিনিট বিরতিতে দু’বার BP মেপে নথিভুক্ত করুন। জরুরি সংকেত (সরাসরি হাসপাতাল): BP ≥ 180/120 এবং/অথবা বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট, কথা জড়ানো/অঙ্গ অবশ...

বুক ব্যথা হলে করণীয় – কারণ, প্রতিকার ও সতর্কতা

Image
  বুক ব্যথা: কারণ, সতর্কতা ও করণীয় বুক ব্যথা একটি সাধারণ কিন্তু কখনো কখনো জীবনঘাতী পরিস্থিতি নির্দেশ করতে পারে। সঠিকভাবে কারণ নির্ণয় না করা হলে সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। বুক ব্যথার প্রধান কারণসমূহ হৃদরোগ: অ্যাঙ্গিনা বা হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে বুকের মধ্যবর্তী চাপ, ধাক্কা বা ব্যথা। হজমজনিত সমস্যা: অ্যাসিড রিফ্লাক্স, গ্যাস্ট্রাইটিস বা খাবারের অজাচিত সমস্যা। পেশী বা কসটোকন্ড্রাইটিস: পেশী টান, দীর্ঘ সময় খারাপ পজিশনে বসা বা ব্যায়ামের কারণে ব্যথা। ফুসফুসজনিত সমস্যা: নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস বা ফুসফুসে সংক্রমণ। মানসিক চাপ ও উদ্বেগ: স্ট্রেস ও অ্যাংজাইটি বুকের ব্যথার অনুভূতি বাড়িয়ে দিতে পারে। প্রাথমিক করণীয় শান্তভাবে বসে বা শুয়ে বিশ্রাম নিন । ব্যথা হঠাৎ ও তীব্র হলে ডাক্তার বা জরুরি বিভাগের সাথে যোগাযোগ করুন । হালকা খাবার খান, ভারী বা মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। স্ট্রেস কমানোর জন্য ধীরশ্বাস নিন, হালকা যোগব্যায়াম করুন। হৃদরোগজনিত সতর্কতা যদি বুক ব্যথার সঙ্গে এই উপসর্গগুলো থাকে—ঘাম, বমি, শ...