Pride and Prejudice: জেইন অস্টেনের অনবদ্য সৃষ্টি
Pride and Prejudice সিনেমার শুটিং এবং উপন্যাসের বিষয়বস্তু নিয়ে আজকের আলোচনা। জেইন অস্টেন লিখেছিলেন এটি তার পরবর্তী বছরে, এবং এটি তার সর্বাধিক বিখ্যাত কাজগুলোর মধ্যে একটি।
উপন্যাসের বিখ্যাত লাইন
"It is a truth universally acknowledged, that a single man in possession of a good fortune must be in want of a wife."
"Money and status is important, not friendship."
"It also is the painful truth behind the whole novel."
সমাজ ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট
একজন যোগ্য পুরুষ বিয়ে করতে চায় কি না, এটি পুরুষটির বিষয়; কিন্তু একটি বিবাহযোগ্য মেয়ের বাবা-মা সেই পুরুষটির পেছনে লেগে থাকে, যেন তাদের মেয়েকে সেই পুরুষের সঙ্গে বিয়ে দিতে পারে।
সেই সময়ের সমাজে মেয়েদের ছোটবেলা থেকেই শেখানো হতো—একজন পুরুষের স্ত্রী হয়ে জীবন কাটাতে হবে। স্বামীই মেয়ের আর্থিক সহায়তাকারী, বাবার সম্পত্তি ছেলেদের কাছে যায়, আর মেয়েদের কোনো অর্থনৈতিক শক্তি থাকত না। তাই স্বামী খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
জর্জিয়ান যুগে পাত্র-পাত্রী নির্বাচন
তখনকার নিয়ম অনুযায়ী পাত্র-পাত্রী নিজেদের সঙ্গী খুঁজত বল ডান্স পার্টির আয়োজনের মাধ্যমে। পাত্র ধনী না হলে বাবা-মা মেয়ে দিতেন না। ধনী পাত্র ধনী ঘরের পাত্রী খুঁজতেন। ছেলে-মেয়ের নিজস্ব ইচ্ছার কোনো মূল্য থাকত না।
গল্পের মূল বার্তা
এই গল্পের বিষয়বস্তু—বিয়ে হওয়া উচিত ধন দেখে নয়, মনের মিল এবং পারস্পরিক পছন্দের উপর।
প্রথম লাইনটি পুরোপুরি তুলে ধরে এই বাস্তবতা: "It is a truth universally acknowledged, that a single man in possession of a good fortune, must be in want of a wife."
একজন পুরুষ ধনী হলে সে বিয়ে করতে চায় কিনা তা বিষয় নয়; মেয়ের বাবা-মা তার কন্যার জন্য ধনী ছেলে খোঁজে। এটিই 'Universal Truth'।
সমাজের দৃশ্যাবলী
গল্পে দেখা যায়, এক মা তার পাঁচ মেয়েকে সাজিয়ে-গুজিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে নিয়ে যাচ্ছে। উদ্দেশ্য—একজন ধনী ছেলে ধরা। সাজ-গোছ, চুলের স্টাইল, পোশাক—সবই আলাদা। তরুণীরা কোমরে কর্মসেট (corset) পরত যেন কোমর সরু দেখায়।
উপসংহার
এই উপন্যাস কেবল রোমান্স নয়, সমাজ ও অর্থনীতি, মেয়েদের অবস্থান ও বাচনভঙ্গির কথাও তুলে ধরে। জেইন অস্টেনের লেখায় সমাজের বাস্তবতা, মনের স্বাধীনতা এবং পারিবারিক বাধ্যবাধকতা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছ
পোস্টটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন:
|
নিতাই বাবু
পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক সাংবাদিক – ২০১৭। লেখালেখির শুরু শৈশবে, এখনো চলছে।
এই পোস্টটি পড়েছেন: 0 জন
|

Comments
Post a Comment